বিয়ে করতে ইচ্ছুক পাত্রদের প্রতি ইমাম আহমাদ বিন হাম্বাল (রহিমাহুল্লাহ) এর উপদেশ-
যখন একজন ব্যক্তি বিয়ে করতে ইচ্ছুক হয় তখন প্রথমেই মেয়ে দেখতে কেমন তার খোঁজখবর নেওয়া উচিত, এতে যদি সে সন্তুষ্ট হয় তাহলে মেয়ের দীনদারিতার ব্যাপারে খোঁজখবর নেওয়া উচিত।
যদি মেয়ে দীনদার হয় তাহলে সে বিয়ে করে নিবে এবং যদি দীনদার না হয় তাহলে সে বিয়ের দিকে এগোবে না
[এর ফলে তার রিজেকশনটি দীনের কারনে হয়]
..
এমন যেন না হয় যে,সে প্রথমে মেয়ের দীনদারিতার ব্যাপারে খোঁজখবর নিবে এবং এতে সন্তুষ্ট হলেও পরে দেখতে কেমন সেটার ব্যাপারে খোঁজখবর নেওয়ার পর সে আগালো না [ এটাতে রিজেকশনটা দীনের কারনে না হয়ে সৌন্দর্যের কারনে হয়ে যায়]
[Sharh Muntaha-l Iradat
...
এডমিনদের কথা:
যেসব ভাই পাত্রীদের সৌন্দর্যের ব্যাপারটা এমন গুরুত্ব দেন যে পাত্রী দীনদার হলেও শুধু সৌন্দর্যের কারনে এগোবেন না, তাদের উচিত কোন প্রস্তাবে কথাবার্তা এগোনোর আগে পাত্রী দেখতে কেমন তার খোঁজখবর নেওয়া,এতে সন্তুষ্ট হলেই যেন শুধু পরবর্তী আলোচনাতে যান নাহলে এমন হয় যে দু তিন মাস ঈমান 'আমাল মাজহাব মানহাজ সহ যত কিছু আছে সব কিছু জানাশুনার পর 'দেখতে ভাল লাগছে না' বলে রিজেক্ট করে দেওয়া হয়!!!
* Source
Showing posts with label স্বামী স্ত্রী সম্পর্ক. Show all posts
Showing posts with label স্বামী স্ত্রী সম্পর্ক. Show all posts
Friday, June 22, 2018
Sunday, April 29, 2018
আপনি আপনার স্ত্রীকে সম্মান করলে তিনিও আপনাকে সম্মান করবেন।
সম্মান এমন একটা জিনিস যা আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা মানুষকে দিয়েছেন। তিনি বনী আদমকে সম্মানিত করে সৃষ্টি করেছেন।
আপনি মানুষকে সম্মান করবেন, মানুষ আপনাকে সম্মান করবে।
পরিবারের ভেতরেও এই নিয়ম খাটে - স্ত্রী, সন্তান, বাবা-মা।
স্বামী-স্ত্রীর সংসার সুখের হওয়ার জন্য খুব জরুরি হচ্ছে সম্মানবোধ রাখা।
ধরুন আপনার স্ত্রী এমন কোনো চাকরি করেন না যে তাতে তার মাসিক একটা আয় হয়।
কিন্তু প্রত্যেকটা মানুষের একটা হাত খরচ আছে - আপনার স্ত্রীর যা দরকার - তার সব কিনে দিলেও আছে।
হতে পারে তার রাস্তা থেকে আচার কিনে খেতে ইচ্ছা করছে। অথবা একটা ফকিরকে দশটা টাকা দান করতে ইচ্ছে হচ্ছে।
এ জন্য তো সে আর আপনাকে বলতে পারে না, 'দশটা টাকা দিও।'
চাওয়া ব্যাপারটার মধ্যেই আত্মসম্মানহানীর আবেশ আছে। আর প্রতিনিয়ত চাওয়া তো আরো গ্লানিকর।
একটা মেয়ে - যে অনেক পড়াশোনা করার পরেও আপনাদের সংসার দেখার দায়িত্ব নিয়েছে, সন্তানদের প্রতিপালনের কাজ করছে - তার কাছে মনে হতেই পারে; যদি সে এগুলো না করে চাকরি করত তাহলে আপনার কাছে ছোট হতে হতো না।
ভাইয়েরা, সামর্থ্য অনুযায়ী আপনার ঘরে থাকা স্ত্রীকে প্রতিমাসে কিছু টাকা হাত খরচের জন্য দেন।
যদি আপনার মা, বোন আপনার ওপর নির্ভরশীল হয়, তাদেরকেও দেন।
সম্মান করে দেন। এমনভাবে দেবেন না যে তাকে অনুগ্রহ করছেন।
খাওয়া-পরা-তেল-সাবান ইত্যাদি নিত্য ব্যবহার্য জিনিস আর সম্মান এক নয়।
আপনি আপনার স্ত্রীকে সম্মান করলে তিনিও আপনাকে সম্মান করবেন। আপনার সংসার সুখের হবে।
* Sharif Abu Hayat Opu
আপনি মানুষকে সম্মান করবেন, মানুষ আপনাকে সম্মান করবে।
পরিবারের ভেতরেও এই নিয়ম খাটে - স্ত্রী, সন্তান, বাবা-মা।
স্বামী-স্ত্রীর সংসার সুখের হওয়ার জন্য খুব জরুরি হচ্ছে সম্মানবোধ রাখা।
ধরুন আপনার স্ত্রী এমন কোনো চাকরি করেন না যে তাতে তার মাসিক একটা আয় হয়।
কিন্তু প্রত্যেকটা মানুষের একটা হাত খরচ আছে - আপনার স্ত্রীর যা দরকার - তার সব কিনে দিলেও আছে।
হতে পারে তার রাস্তা থেকে আচার কিনে খেতে ইচ্ছা করছে। অথবা একটা ফকিরকে দশটা টাকা দান করতে ইচ্ছে হচ্ছে।
এ জন্য তো সে আর আপনাকে বলতে পারে না, 'দশটা টাকা দিও।'
চাওয়া ব্যাপারটার মধ্যেই আত্মসম্মানহানীর আবেশ আছে। আর প্রতিনিয়ত চাওয়া তো আরো গ্লানিকর।
একটা মেয়ে - যে অনেক পড়াশোনা করার পরেও আপনাদের সংসার দেখার দায়িত্ব নিয়েছে, সন্তানদের প্রতিপালনের কাজ করছে - তার কাছে মনে হতেই পারে; যদি সে এগুলো না করে চাকরি করত তাহলে আপনার কাছে ছোট হতে হতো না।
ভাইয়েরা, সামর্থ্য অনুযায়ী আপনার ঘরে থাকা স্ত্রীকে প্রতিমাসে কিছু টাকা হাত খরচের জন্য দেন।
যদি আপনার মা, বোন আপনার ওপর নির্ভরশীল হয়, তাদেরকেও দেন।
সম্মান করে দেন। এমনভাবে দেবেন না যে তাকে অনুগ্রহ করছেন।
খাওয়া-পরা-তেল-সাবান ইত্যাদি নিত্য ব্যবহার্য জিনিস আর সম্মান এক নয়।
আপনি আপনার স্ত্রীকে সম্মান করলে তিনিও আপনাকে সম্মান করবেন। আপনার সংসার সুখের হবে।
* Sharif Abu Hayat Opu
Friday, February 2, 2018
যে কথাগুলো অনেকদিন ধরে বলব ভাবছি তা সর্বসমক্ষে বলা লজ্জার
একটা মোটা দাগের কৌতুকে পড়েছিলাম ক্রিকেটে থাই গার্ডের ব্যবহার শুরুর প্রায় ১০০ বছর পর হেলমেট ব্যবহার শুরু হয়।
কৌতুকটা ছিল পুরুষ মানুষদের নিয়ে - তারা কোনটাকে গুরুত্ব দেয় এটা নিয়ে একটা প্রাপ্তবয়ষ্ক ইশারা ছিল।
যে কথাগুলো অনেকদিন ধরে বলব ভাবছি তা সর্বসমক্ষে বলা লজ্জার, কিন্তু কিছু ব্যাপারে রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম লজ্জার সীমানায় এসে হলেও মানুষকে কিছু শিক্ষা দিয়েছেন।*
উমার রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু তার মেয়েকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, স্বামীকে ছাড়া তার স্ত্রী কয়দিন থাকতে পারে। উত্তর শুনেছিলেন চার মাস। এরপর তিনি নিয়ম করে দিয়েছিলেন, মুসলিম মুজাহিদদের চার মাসের বেশি জিহাদের ময়দানে রাখা যাবে না।
উমার পুরুষদের জিজ্ঞেস করেননি। আমাকে জিজ্ঞেস করলে উত্তর দিতাম, একজন পুরুষ তার স্ত্রী ছাড়া চার দিনের বেশি ভালো থাকতে পারে না।
আমি যে একটা বছর অ্যামেরিকায় ছিলাম স্ত্রীকে রেখে, কীভাবে ছিলাম সেটা আল্লাহ ভালো জানেন।
স্ত্রীকে ছাড়া ভালো থাকতে পারে না কেন? কারণ, আল্লাহ পুরুষকে সেভাবে বানিয়েছেন। চাহিদা দিয়ে, কামনা দিয়ে।
আমাদের সমাজের স্ত্রীরা তাদের স্বামীদের পেটের ক্ষুধা মেটানোর জন্য যতটা ব্যস্ত, মনের ক্ষুধা এবং দৈহিক ক্ষুধা মেটানোর জন্য ততটাই অতৎপর।
অন্তত, আমার কাছে আসা ইনবক্সে ভাইদের অনুযোগে তাই মনে হয়।
মনের ক্ষুধা সংসারের আলাপে মেটে না। ডাল শেষ, তেল লাগবে - এগুলো সম্পর্কের উন্নতি করে না।
মনের ক্ষুধা মেটে যখন কোনো পুরুষ যে ব্যাপারে আগ্রহী সে ব্যাপারে তার সাথে আলাপ করলে। আমি বিজ্ঞান ভালোবাসি। বিজ্ঞানের নতুন একটা আবিষ্কার নিয়ে আমার সাথে আমার স্ত্রী কথা বললে আমার ভালো লাগে।
আমার স্ত্রীর বিজ্ঞান ভালো না লাগলে?
বোনেরা, কিছু একটা খুঁজে বের করুন যেটাতে আপনার আর আপনার স্বামীর কমন আগ্রহ আছে।
আর থাকল দেহের ক্ষুধা।
এই ক্ষুধা সত্য। পেটের ক্ষুধার মতই সত্য। যদিও পেটের ক্ষুধার কথা কেউ বলতে বা শুনতে লজ্জা পায় না, কিন্তু এই ক্ষুধাকে পায়।
পৃথিবীর প্রায় প্রতিটা দেশে বেশ্যালয় আছে। কেন?
বেশ্যালয়ে বিবাহিত পুরুষরাও যায়। কেন?
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা চারটা পর্যন্ত বিয়ের বিধান দিয়েছেন এর একটা কারণ পুরুষদের দৈহিক ক্ষুধা অনেক বেশি আগ্রাসী।
এবং অধিকাংশ বিবাহিত পুরুষ তার স্ত্রীকে তার চাহিদার কথা বলতে লজ্জা পায়। প্রতিনিয়ত বলা তো আরো মুশকিল।
এই অবদমিত চাহিদার হালাল বহির্প্রকাশ বাধাপ্রাপ্ত হলে পুরুষেরা ছোটে পর্নের দিকে। এখন মোবাইলে বিছানায় শুয়েও সারা দুনিয়ার নোংরামি ঘুরে আসা যায়।
স্ত্রী তার মতো ঘুমে আছেন, স্বামী পাপাচারে মগ্ন।
পরকীয়া, ধর্ষণ - এই বিকৃত কামাচারের পেছনে হালাল স্ত্রীসঙ্গ দুর্লভ হওয়াটা একটা বড় কারণ।
স্ত্রী বুঝতে পারেন না স্বামী কেন রেগে থাকেন। তিনি বুঝতে পারেন না, সংসারে অশান্তি। এই দম্পতিকে তাদের শারীরিক সম্পর্কের কথা জিজ্ঞেস করে দেখেন।
আমি পুরুষদের সবর করতে না পেরে পাপে জড়ানোকে জাস্টিফাই করছি না। একজন পুরুষ হিসেবে আসলে পুরুষেরা কী চিন্তা করে, তাদের কী চাহিদা - সেটা বোনদের সামনে তুলে ধরলাম, লজ্জার মাথা খেয়েই।
সংসার সুখের হয় রমণীর গুণে।
রমণী শব্দের উৎস বিশ্লেষণে যাব না, তবে বোনেরা একটু চিন্তা করে দেখবেন। কথাটা সত্য।
আমাকে গালমন্দ করতে পারেন - তবে আপনাদের ভালোর জন্যই বলছি।
-Sharif Abu Hayat Opu
কৌতুকটা ছিল পুরুষ মানুষদের নিয়ে - তারা কোনটাকে গুরুত্ব দেয় এটা নিয়ে একটা প্রাপ্তবয়ষ্ক ইশারা ছিল।
যে কথাগুলো অনেকদিন ধরে বলব ভাবছি তা সর্বসমক্ষে বলা লজ্জার, কিন্তু কিছু ব্যাপারে রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম লজ্জার সীমানায় এসে হলেও মানুষকে কিছু শিক্ষা দিয়েছেন।*
উমার রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু তার মেয়েকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, স্বামীকে ছাড়া তার স্ত্রী কয়দিন থাকতে পারে। উত্তর শুনেছিলেন চার মাস। এরপর তিনি নিয়ম করে দিয়েছিলেন, মুসলিম মুজাহিদদের চার মাসের বেশি জিহাদের ময়দানে রাখা যাবে না।
উমার পুরুষদের জিজ্ঞেস করেননি। আমাকে জিজ্ঞেস করলে উত্তর দিতাম, একজন পুরুষ তার স্ত্রী ছাড়া চার দিনের বেশি ভালো থাকতে পারে না।
আমি যে একটা বছর অ্যামেরিকায় ছিলাম স্ত্রীকে রেখে, কীভাবে ছিলাম সেটা আল্লাহ ভালো জানেন।
স্ত্রীকে ছাড়া ভালো থাকতে পারে না কেন? কারণ, আল্লাহ পুরুষকে সেভাবে বানিয়েছেন। চাহিদা দিয়ে, কামনা দিয়ে।
আমাদের সমাজের স্ত্রীরা তাদের স্বামীদের পেটের ক্ষুধা মেটানোর জন্য যতটা ব্যস্ত, মনের ক্ষুধা এবং দৈহিক ক্ষুধা মেটানোর জন্য ততটাই অতৎপর।
অন্তত, আমার কাছে আসা ইনবক্সে ভাইদের অনুযোগে তাই মনে হয়।
মনের ক্ষুধা সংসারের আলাপে মেটে না। ডাল শেষ, তেল লাগবে - এগুলো সম্পর্কের উন্নতি করে না।
মনের ক্ষুধা মেটে যখন কোনো পুরুষ যে ব্যাপারে আগ্রহী সে ব্যাপারে তার সাথে আলাপ করলে। আমি বিজ্ঞান ভালোবাসি। বিজ্ঞানের নতুন একটা আবিষ্কার নিয়ে আমার সাথে আমার স্ত্রী কথা বললে আমার ভালো লাগে।
আমার স্ত্রীর বিজ্ঞান ভালো না লাগলে?
বোনেরা, কিছু একটা খুঁজে বের করুন যেটাতে আপনার আর আপনার স্বামীর কমন আগ্রহ আছে।
আর থাকল দেহের ক্ষুধা।
এই ক্ষুধা সত্য। পেটের ক্ষুধার মতই সত্য। যদিও পেটের ক্ষুধার কথা কেউ বলতে বা শুনতে লজ্জা পায় না, কিন্তু এই ক্ষুধাকে পায়।
পৃথিবীর প্রায় প্রতিটা দেশে বেশ্যালয় আছে। কেন?
বেশ্যালয়ে বিবাহিত পুরুষরাও যায়। কেন?
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা চারটা পর্যন্ত বিয়ের বিধান দিয়েছেন এর একটা কারণ পুরুষদের দৈহিক ক্ষুধা অনেক বেশি আগ্রাসী।
এবং অধিকাংশ বিবাহিত পুরুষ তার স্ত্রীকে তার চাহিদার কথা বলতে লজ্জা পায়। প্রতিনিয়ত বলা তো আরো মুশকিল।
এই অবদমিত চাহিদার হালাল বহির্প্রকাশ বাধাপ্রাপ্ত হলে পুরুষেরা ছোটে পর্নের দিকে। এখন মোবাইলে বিছানায় শুয়েও সারা দুনিয়ার নোংরামি ঘুরে আসা যায়।
স্ত্রী তার মতো ঘুমে আছেন, স্বামী পাপাচারে মগ্ন।
পরকীয়া, ধর্ষণ - এই বিকৃত কামাচারের পেছনে হালাল স্ত্রীসঙ্গ দুর্লভ হওয়াটা একটা বড় কারণ।
স্ত্রী বুঝতে পারেন না স্বামী কেন রেগে থাকেন। তিনি বুঝতে পারেন না, সংসারে অশান্তি। এই দম্পতিকে তাদের শারীরিক সম্পর্কের কথা জিজ্ঞেস করে দেখেন।
আমি পুরুষদের সবর করতে না পেরে পাপে জড়ানোকে জাস্টিফাই করছি না। একজন পুরুষ হিসেবে আসলে পুরুষেরা কী চিন্তা করে, তাদের কী চাহিদা - সেটা বোনদের সামনে তুলে ধরলাম, লজ্জার মাথা খেয়েই।
সংসার সুখের হয় রমণীর গুণে।
রমণী শব্দের উৎস বিশ্লেষণে যাব না, তবে বোনেরা একটু চিন্তা করে দেখবেন। কথাটা সত্য।
আমাকে গালমন্দ করতে পারেন - তবে আপনাদের ভালোর জন্যই বলছি।
-Sharif Abu Hayat Opu
Subscribe to:
Posts (Atom)